ক্যালকুলাস/অন্তরীকরণ/ত্রিকোণমিতিক ও বিপরীত ফাংশনের অন্তরজ

testwiki থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এখানে, sin⁡(A)=a/h, cos⁡(A)=b/h, এবং অন্যান্য অনুপাতসমূহকে এই দুইটি অনুপাতের সাহায্যে প্রকাশ করা যায়।

ত্রিকোণমিতিক ফাংশনের অন্তরজ

একটি ত্রিভুজ ABC এর তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে AC=b, AB=h এবং BC=a হলে ∠A কোণের সাপেক্ষে a হবে লম্ব, b হবে ভূমি, এবং h হবে অতিভুজ। যেকোনো ত্রিভুজের একটি কোণ x হলে এর যেকোনো দুইটি বাহুর অনুপাতকে ত্রিকোণমিতিক ফাংশন দ্বারা প্রকাশ করা যায়। sin⁡(x), cos⁡(x), tan⁡(x), csc⁡(x), sec⁡(x) এবং cot⁡(x) - এই ছয়টি ফাংশনের প্রত্যেকটিকে ত্রিকোণমিতিক ফাংশন বলে। যেকোনো কোণ x এবং y এর জন্য,

tan⁡(x)=sin⁡(x)cos⁡(x); csc⁡(x)=1sin⁡(x);
csc⁡(x)=1sin⁡(x); sec⁡(x)=1cos⁡(x);
sin2(x)+cos2(x)=1
csc2(x)−cot2(x)=1
sec2(x)−tan2(x)=1
sin⁡(x+y)=sin⁡(x)⋅cos⁡(y)+cos⁡(x)⋅sin⁡(y)
cos⁡(x+y)=cos⁡(x)⋅cos⁡(y)−sin⁡(x)⋅sin⁡(y)

টেমপ্লেট:কলনবিদ্যা/গুরুত্বপূর্ণ সূত্র

প্রমাণ:

অন্তরজের সংজ্ঞা অনুসারে,

(sin⁡(x))′ =limΔx→0sin⁡(x+Δx)−sin⁡(x)Δx
=limΔx→0sin⁡(x)⋅cos⁡(Δx)+cos⁡(x)⋅sin⁡(Δx)−sin⁡(x)Δx
=limΔx→0sin⁡(x)(cos⁡(Δx)−1)+cos⁡(x)⋅sin⁡(Δx)Δx
=limΔx→0sin⁡(x)(cos⁡(Δx)−1)Δx+limΔx→0cos⁡(x)⋅sin⁡(Δx)Δx
=[limΔx→0sin⁡(x)]⋅[limΔx→0cos⁡(Δx)−1Δx]+[limΔx→0cos⁡(x)]⋅[limΔx→0sin⁡(Δx)Δx]
=[limΔx→0sin⁡(x)]⋅[0]+[limΔx→0cos⁡(x)⋅]⋅[1]
=cos⁡(x)

◻

টেমপ্লেট:কলনবিদ্যা/গুরুত্বপূর্ণ সূত্র প্রমাণ:

অন্তরজের সংজ্ঞা অনুসারে,

(cos⁡(x))′ =limΔx→0cos⁡(x+Δx)−cos⁡(x)Δx
=limΔx→0cos⁡(x)⋅cos⁡(Δx)−sin⁡(x)⋅sin⁡(Δx)−cos⁡(x)Δx
=limΔx→0−sin⁡(x)⋅sin⁡(Δx)+cos⁡(x)(cos⁡(Δx)−1)Δx
=limΔx→0cos⁡(x)(cos⁡(Δx)−1)Δx−limΔx→0sin⁡(x)⋅sin⁡(Δx)Δx
=[limΔx→0cos⁡(x)]⋅[limΔx→0cos⁡(Δx)−1Δx]−[limΔx→0sin⁡(x)]⋅[limΔx→0sin⁡(Δx)Δx]
=[limΔx→0cos⁡(x)]⋅[0]−[limΔx→0sin⁡(x)⋅]⋅[1]
=−sin⁡(x)

◻

সাইন এবং কোসাইন ফাংশন দুইটির অন্তরজ জানা থাকলে অন্য সকল ত্রিকোণমিতিক ফাংশনের অন্তরজ নির্ণয় করা সম্ভব। নিম্নে কয়েকটি উদাহরণ লিপিবদ্ধ করা হলো:

উদাহরণ - 1:
[tan⁡(x)]′ =[sin⁡(x)cos⁡(x)]′
=cos⁡(x)⋅(sin⁡(x))′−sin⁡(x)⋅(cos⁡(x))′cos2(x); [দুইটি ফাংশনের ভাগফলের অন্তরজ নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করে]
=cos⁡(x)⋅cos⁡(x)+sin⁡(x)⋅sin⁡(x)cos2(x)
=cos2(x)+sin2(x)cos2(x)
=1cos2(x) =sec2(x)
উদাহরণ - 2:
[cos⁡(1x)]′ =cos′⁡(u)⋅u′(x) মনে করি, u(x)=1x
=−sin⁡(u)⋅u′(x)
=−sin⁡(1x)⋅(1x)′
=−sin⁡(1x)(−1x2)
=sin⁡(x−1)x2

অব্যক্ত ফাংশনের অন্তরীকরণ

মনে করি, f(x,y)=g(x,y) একটি সমীকরণ। এক্ষেত্রে, x এর সাপেক্ষে y এর অন্তরজ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সমীকরণের উভয়পক্ষকে অন্তরীকরণ করতে হয়। নিম্নে এ পদ্ধতির সাহায্যে অন্তরজ নির্ণয়ের কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরা হলো:

উদাহরণ - 3:
x2+y2 =1
⟹ (x2+y2)′ =(1)′
⟹ (x2)′+(y2)′ =0
⟹ 2x+2y⋅y′ =0
⟹ 2y⋅y′ =−2x
⟹ y′ =−xy

[সংযোজিত ফাংশনের অন্তরজের সূত্র ব্যবহার করে পাওয়া যায়, (y2)′=2y⋅y′]

x2+y2=1 একটি বৃত্তের সমীকরণ, যার কেন্দ্র (0,0) এবং ব্যাসার্ধ 1 একক। তবে y কোনো ফাংশন নয়; কেননা x এর যেকোনো মানের জন্য y এর দুইটি মান পাওয়া যাবে, y=±1−x2, যেখানে x∈[−1,1]। সুতরাং প্রদত্ত সমীকরণের ক্ষেত্রে y′ বা x এর সাপেক্ষে y এর অন্তরজ নির্ণয় করা সম্ভব নয়। এরূপ সমীকরণের উভয়পক্ষের ব্যবকলন করা হলে y′ পাওয়া যাবে, তবে তা শুধুমাত্র y≥0 এর জন্য সত্য হবে। সুতরাং, উপরোক্ত উদাহরণ (3) হতে প্রাপ্ত অন্তরজ শুধুমাত্র বৃত্তটির উপরের অর্ধেকের জন্য সত্য।

উদাহরণ - 4:
y4+xy2 =3
⟹ (y4+xy2)′ =(3)′
⟹ (y4)′+y2⋅x′+x⋅(y2)′ =0
⟹ 4y3⋅y′+y2+x⋅2y =0
⟹ y′ =−y4y2+2

এখানে, প্রদত্ত সমীকরণ y4+xy2=3 ⟹y4+xy2−3=0 -কে একটি দ্বিঘাত সমীকরণ আকারে প্রকাশ করা যায়, (y2)2+x(y2)−3=0 এবং y এর জন্য এ সমীকরণের সমাধান,

y=±−x+x2+122

শুধুমাত্র ধনাত্মক মানের জন্য,

y=−x+x2+122

∴y′=x2+12−x22(x−x2+12−1)

বিপরীত ফাংশনের অন্তরজ

যদি y=f(x) এবং g(y)=x দুইটি ফাংশন হয়, তবে g কে f এর বিপরীত ফাংশন বলা হয়। এক্ষেত্রে, x=g(y)=f−1(y) টেমপ্লেট:কলনবিদ্যা/গুরুত্বপূর্ণ সূত্র

প্রমাণ:
(f∘f−1)(x) =x
⟹ (f∘f−1)′(x) =1
⟹ f′(f−1(x))⋅(f−1)′(x) =1
⟹ (f−1)′(x) =1f′(f−1(x))

◻

উদাহরণ - 5:

ধরি, y=tan−1(x), এবং এর অন্তরজ,

(tan−1(x))′ =1tan′⁡(tan−1(x))
=1tan′⁡(y)
=1sec2(y)
=11+tan2(y)
=11+x2

অধিবৃত্তীয় ফাংশনের অন্তরজ

যদি u=sin2(x) এবং v=cos2(x) হয়, তবে u2+v2=1, যা একটি বৃত্তের সমীকরণের ন্যায়। কার্তেসীয় তলে (0,0) বিন্দুকে কেন্দ্র করে 1 একক ব্যসার্ধের কোনো বৃত্তের পরিধির কোনো বিন্দু এবং বৃত্তের কেন্দ্র যদি একটি ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু এবং x অক্ষের একটি রেখাংশ যদি ত্রিভুজটির এক বাহু হয়, তবে গঠিত ত্রিভুজের ক্ষেত্রে x2+y2=1, যেখানে x ভূমি এবং y উচ্চতা। অতিভুজ h হলে x2+y2=h2 ⟹(xh)2+(yh)2=1 ⟹sin2(θ)+cos2(θ)=1, যেখানে θ ভূমি এবং অতিভুজ সংলগ্ন কোণ। তাই, ত্রিকোণমিতিক ফাংশনকে বৃত্তীয় ফাংশন বলা হয়।

x2−y2=1 সমীকরণটি একটি একক অধিবৃত্তের সমীকরণ। চিত্রের অধিবৃত্তের x≥1 এর জন্য প্রাপ্ত বক্ররেখার কোনো বিন্দু পর্যন্ত (0,0) বিন্দু হতে অঙ্কিত সরলরেখা, অধিবৃত্তের বক্ররেখা এবং x অক্ষ দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল a এর অর্ধেক হলে অধিবৃত্তের বক্ররেখায় অবস্থিত উক্ত বিন্দু হতে x অক্ষের দূরত্ব হবে sinh⁡(a) এবং y অক্ষের দুরত্ব হবে cosh⁡(a)। এক্ষেত্রে, সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রটির (লাল রঙে দাগাঙ্কিত অংশ) ক্ষেত্রফল যদি x অক্ষের নীচের দিকে হয়, তবে a এর মান ঋণাত্মক হবে। sinh⁡(x) এবং cosh⁡(x) ফাংশনদ্বয় অধিবৃত্তীয় ফাংশন, এবং বাকি সকল অধিবৃত্তীয় ফাংশনকে এই দুইটি ফাংশনের সাহায্যেই সংজ্ঞায়িত করা হয়।

tanh⁡(x)=sinh⁡(x)cosh⁡(x)
cosh2(x)−sinh2(x)=1

অধিবৃত্তীয় ফাংশনের অন্তরজ

অধিবৃত্তীয় ফাংশনের অন্তরীকরণের জন্য সর্বপ্রথম ফাংশনসমূহের জন্য একটি বীজগাণিতির সমীকরণের প্রয়োজন। এক্ষেত্রে, সূচকীয় সংজ্ঞায়নের মাধ্যমে পাই,

অধিবৃত্তীয় সাইন, sinh⁡(x)=ex−e−x2
অধিবৃত্তীয় কোসাইন, cosh⁡(x)=ex+e−x2

টেমপ্লেট:কলনবিদ্যা/গুরুত্বপূর্ণ সূত্র প্রমাণ:

(sinh⁡(x))′ =(ex−e−x2)
=12[(ex)′−(e−x)′]
=12[ex−(−x)′⋅(e−x)′(−x)]
=12[ex+e−x]
=cosh⁡(x)

টেমপ্লেট:কলনবিদ্যা/গুরুত্বপূর্ণ সূত্র প্রমাণ:

(cosh⁡(x))′ =(ex+e−x2)
=12[(ex)′+(e−x)′]
=12[ex+(−x)′⋅(e−x)′(−x)]
=12[ex−e−x]
=sinh⁡(x)

টেমপ্লেট:Status টেমপ্লেট:বইয়ের বিষয়শ্রেণী